[১] সূরা গাশিয়াহ (৮৮:২০)
আরবী আয়াত
وَ اِلَی
الْاَرْضِ کَیْفَ سُطِحَتْ ﴿ٝ۲۰﴾
উচ্চারণ: ওয়া ইলাল
আরদি কাইফা ছুতিহাত।
আহসানুল বায়ান: ২০। এবং
ভূতলের দিকে যে, কিভাবে ওটাকে সমতল করা হয়েছে?[1]
মুহিউদ্দিন খান: এবং পৃথিবীর
দিকে যে, তা কিভাবে সমতল বিছানো হয়েছে?
মুজিবুর রহমান: এবং ভূতলের দিকে যে, কিভাবে ওটাকে সমতল করা হয়েছে?
আল বায়ান: আর যমীনের
দিকে, কীভাবে তা বিস্তৃত করা হয়েছে?
আবু বকর মুহাম্মাদ
যাকারিয়া: ২০. এবং ভূতলের দিকে, কিভাবে তা বিস্তৃত করা হয়েছে?(১)
তাইসীরুল ক্বুরআন: আর যমীনের
দিকে, কীভাবে তাকে বিছিয়ে দেয়া হয়েছে?
ফযলুর রহমান: এবং পৃথিবীর
দিকে যে, কীভাবে তাকে বিস্তৃত করা হয়েছে?
জহুরুল হক: আর এই
পৃথিবীর দিকে -- কেমন করে তাকে প্রসারিত করা হয়েছে?
Sahih International: And at the earth - how it
is spread out?
[২] সূরা রা'দ
(১৩:৩)
হরকত সহ:
وَ هُوَ
الَّذِیْ مَدَّ الْاَرْضَ وَ جَعَلَ فِیْهَا رَوَاسِیَ وَ اَنْهٰرًا ؕ وَ مِنْ
کُلِّ الثَّمَرٰتِ جَعَلَ فِیْهَا زَوْجَیْنِ اثْنَیْنِ یُغْشِی الَّیْلَ
النَّهَارَ ؕ اِنَّ فِیْ ذٰلِکَ لَاٰیٰتٍ لِّقَوْمٍ یَّتَفَکَّرُوْنَ ﴿۳﴾
উচ্চারণ: ওয়া
হুওয়াল্লাযী মাদ্দাল আরদা ওয়া জা‘আলা ফীহা-রাওয়া-ছিয়া ওয়াআনহা-রাওঁ ওয়া মিন
কুল্লিছছামারা-তি জা‘আলা ফীহা- যাওজাইনিছনাইনি ইউগশিল লাইলান্নাহা-র ইন্না ফী
যা-লিকা লা আ-য়া-তিল লিকাওমিইঁ ইয়াতাফাক্কারূন।
আল বায়ান: আর তিনিই
যমীনকে বিস্তৃত করেছেন এবং তাতে সুদৃঢ় পর্বতমালা ও নদ-নদী স্থাপন করেছেন। আর
প্রত্যেক প্রকারের ফল তিনি জোড়া জোড়া করে সৃষ্টি করেছেন। তিনি রাত দ্বারা দিনকে
ঢেকে দেন। নিশ্চয় যে কওম চিন্তাভাবনা করে তাদের জন্য এতে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া: ৩. আর তিনিই
যমীনকে বিস্তৃত করেছেন(১) এবং তাতে সুদৃঢ়পর্বত ও নদী সৃষ্টি করেছেন এবং সব রকমের
ফল সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায়(২)। তিনি দিনকে রাত দ্বারা আচ্ছাদিত করেন(৩)
নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য।(৪)
তাইসীরুল ক্বুরআন: তিনিই যমীনকে
বিছিয়ে দিয়েছেন আর তাতে পর্বত ও নদীনালা সংস্থাপিত করেছেন, আর
তাতে সকল প্রকারের ফল জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। তিনি দিবসের উপর রাতের আবরণ টেনে
দেন। চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই নিদর্শনাবলী রয়েছে।
আহসানুল বায়ান: (৩) তিনিই
ভূতলকে বিস্তৃত করেছেন এবং ওতে পর্বত ও নদী সৃষ্টি করেছেন[1] এবং প্রত্যেক
প্রকারের ফল সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায়।[2] তিনি দিনকে রাত্রি দ্বারা আচ্ছাদিত
করেন; এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য।
মুজিবুর রহমান: তিনিই ভূতলকে
বিস্তৃত করেছেন এবং ওতে পর্বত ও নদী সৃষ্টি করেছেন এবং প্রত্যেক প্রকারের ফল
সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায়; তিনি দিনকে রাত দ্বারা আচ্ছাদিত
করেন; এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য।
ফযলুর রহমান: তিনিই সেই
সত্তা যিনি ভূমিকে বিস্তৃত করেছেন এবং তাতে অনড় পাহাড়-পর্বত ও নদ-নদী স্থাপন
করেছেন। সেখানে তিনি প্রত্যেক ফলের দুটি করে জোড়া তৈরী করেছেন। তিনি দিনকে রাত
দ্বারা আচ্ছাদিত করেন। এর মধ্যে চিন্তাশীল লোকদের জন্য অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে।
মুহিউদ্দিন খান: তিনিই
ভুমন্ডলকে বিস্তৃত করেছেন এবং তাতে পাহাড় পর্বত ও নদ-নদী স্থাপন করেছেন এবং
প্রত্যেক ফলের মধ্যে দু’দু প্রকার সৃষ্টি করে রেখেছেন। তিনি দিনকে রাত্রি দ্বারা
আবৃত করেন। এতে তাদের জন্যে নিদর্শণ রয়েছে, যারা চিন্তা করে।
জহুরুল হক: আর তিনিই
সেইজন যিনি পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন, আর তাতে স্থাপন করেছেন
পর্বতমালা ও নদনদী। আর প্রত্যেক ফলের ক্ষেত্রে -- তার মধ্যে তিনি সৃষ্টি করেছেন
জোড়ায়-জোড়ায় দুটি-দুটি। তিনি রাত্রিকে দিয়ে দিনকে আবৃত করেন। নিঃসন্দেহ এতে
সাক্ষাৎ নিদর্শন রয়েছে সেই লোকদের জন্য যারা চিন্তা করে।
Sahih International: And it is He who spread
the earth and placed therein firmly set mountains and rivers; and from all of
the fruits He made therein two mates; He causes the night to cover the day.
Indeed in that are signs for a people who give thought.
[৩] সূরা নাযিয়াত (৭৯:৩০)
আরবী আয়াত
وَ الْاَرْضَ
بَعْدَ ذٰلِکَ دَحٰىهَا ﴿ؕ۳۰﴾
উচ্চারণ: ওয়াল আর দা
বা‘দা যা-লিকা দাহা-হা-।
আল বায়ান: এরপর তিনি
যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন।
আবু বকর মুহাম্মাদ
যাকারিয়া: ৩০. আর যমীনকে এর পর বিস্তৃত করেছেন।(১)
তাইসীরুল ক্বুরআন: অতঃপর তিনি
যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন।
আহসানুল বায়ান: ৩০। এবং
তারপর তিনি পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন।[1]
মুজিবুর রহমান: এবং পৃথিবীকে
এরপর বিস্তৃত করেছেন।
ফযলুর রহমান: এর পরে তিনি
জমিনকে বিছিয়ে দিয়েছেন।
মুহিউদ্দিন খান: পৃথিবীকে এর
পরে বিস্তৃত করেছেন।
জহুরুল হক: আর পৃথিবী --
এর পরে তাকে প্রসারিত করেছেন।
Sahih International: And after that He spread
the earth.
[৪] সূরা নাবা (৭৮:৬)
আরবী আয়াত
اَلَمْ
نَجْعَلِ الْاَرْضَ مِهٰدًا ۙ﴿۶﴾
উচ্চারণ: আলাম
নাজ‘আলিল আরদা মিহা-দা-।
আল বায়ান: আমি কি
বানাইনি যমীনকে শয্যা?
আবু বকর মুহাম্মাদ
যাকারিয়া: ৬. আমরা কি করিনি যমীনকে শয্যা
তাইসীরুল ক্বুরআন: (আমি যে সব
কিছুকে দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করতে সক্ষম তা তোমরা অস্বীকার করছ কীভাবে) আমি কি যমীনকে
(তোমাদের জন্য) শয্যা বানাইনি?
আহসানুল বায়ান: ৬। আমি কি
পৃথিবীকে শয্যা (স্বরূপ) সৃষ্টি করিনি? [1]
মুজিবুর রহমান: আমি কি
পৃথিবীকে শয্যা (রূপে) নির্মাণ করিনি?
ফযলুর রহমান: আমি কি
জমিনকে বিছানা বানাইনি?
মুহিউদ্দিন খান: আমি কি করিনি
ভূমিকে বিছানা
জহুরুল হক: আমরা কি
পৃথিবীটাকে পাতানো-বিছানারূপে বানাই নি,
Sahih International: Have We not made the earth
a resting place?
[৫] সূরা ত্ব-হা (২০:৫৩)
আরবী আয়াত
الَّذِیْ
جَعَلَ لَکُمُ الْاَرْضَ مَهْدًا وَّ سَلَکَ لَکُمْ فِیْهَا سُبُلًا وَّ اَنْزَلَ
مِنَ السَّمَآءِ مَآءً ؕ فَاَخْرَجْنَا بِهٖۤ اَزْوَاجًا مِّنْ نَّبَاتٍ شَتّٰی
﴿۵۳﴾
উচ্চারণ: আল্লাযী
জা‘আলা লাকুমুল আরদা মাহদাওঁ ওয়া ছালাকা লাকুম ফীহা ছুবুলাওঁ ওয়া আনযালা
মিনাছছামাই মাআন ফাআখরাজনা-বিহীআযওয়া-জাম মিন নাবা-তিন শাত্তা-।
আল বায়ান: ‘যিনি
তোমাদের জন্য যমীনকে বিছানা বানিয়েছেন এবং তাতে তোমাদের জন্য চলার পথ করে দিয়েছেন।
আর আসমান থেকে তিনি পানি বর্ষণ করেন’; অতঃপর তা দিয়ে আমি
বিভিন্ন প্রকারের উদ্ভিদ উৎপন্ন করি।
আবু বকর মুহাম্মাদ
যাকারিয়া: ৫৩. যিনি তোমাদের জন্য যমীনকে করেছেন বিছানা এবং তাতে করে দিয়েছেন তোমাদের
জন্য চলার পথ, আর তিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন। অতঃপর তা
দিয়ে আমরা বিভিন্ন প্রকারের উদ্ভিদ উৎপন্ন করি।(১)
তাইসীরুল ক্বুরআন: যিনি তোমাদের
জন্য যমীনকে করেছেন বিছানা, আর তাতে তোমাদের জন্য ক’রে
দিয়েছেন চলার পথ। আর আকাশ থেকে তিনি পানি বর্ষণ করেন আর তা দিয়ে আমি বিভিন্ন
লতা-যুগল উদগত করি যার প্রত্যেকটি অন্যটি থেকে আলাদা।
আহসানুল বায়ান: (৫৩) যিনি
তোমাদের জন্য পৃথিবীকে করেছেন বিছানা এবং তাতে করে দিয়েছেন তোমাদের চলবার পথ। তিনি
আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং আমি তা দ্বারা বিভিন্ন প্রকারের উদ্ভিদ উৎপন্ন
করি।
মুজিবুর রহমান: যিনি তোমাদের
জন্য পৃথিবীকে করেছেন বিছানা এবং তাতে করে দিয়েছেন তোমাদের চলার পথ, তিনি আকাশ হতে বারি বর্ষন করেন। আমি উহা দ্বারা বিভিন্ন প্রকারের উদ্ভিদ
উৎপন্ন করি।
ফযলুর রহমান: “যিনি
তোমাদের জন্য জমিনকে একটি বিছানা (বিছানার মত) বানিয়েছেন, তাতে
তোমাদের জন্য পথ তৈরী করে দিয়েছেন এবং আসমান থেকে পানি (বৃষ্টি) বর্ষণ করেছেন।” এর
দ্বারা আমি বিভিন্ন প্রকার গাছপালা উৎপন্ন করেছি।
মুহিউদ্দিন খান: তিনি তোমাদের
জন্যে পৃথিবীকে শয্যা করেছেন এবং তাতে চলার পথ করেছেন, আকাশ
থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন এবং তা দ্বারা আমি বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ উৎপন্ন করেছি।
জহুরুল হক: "যিনি
তোমাদের জন্যে পৃথিবীটাকে করেছেন একটি বিছানা, আর তোমাদের
জন্য এতে ছড়িয়ে দিয়েছেন পথসমূহ, আর তিনি আকাশ থেকে পাঠান
পানি।" তারপর এর দ্বারা আমরা উৎপাদন করি জোড়ায় জোড়ায় বিভিন্ন ধরনের
গাছপালা।
Sahih International: [It
is He] who has made for you the earth as a bed [spread out] and inserted
therein for you roadways and sent down from the sky, rain and produced thereby
categories of various plants.
[৬] সূরা আয-যুখরুফ (৪৩:১০)
আরবী আয়াত
الَّذِیْ
جَعَلَ لَکُمُ الْاَرْضَ مَهْدًا وَّ جَعَلَ لَکُمْ فِیْهَا سُبُلًا لَّعَلَّکُمْ
تَهْتَدُوْنَ ﴿ۚ۱۰﴾
উচ্চারণ: আল্লাযী
জা‘আলা লাকুমুল আরদা মাহদাওঁ ওয়া জা‘আলা লাকুম ফীহা-ছুবুলাল লা‘আল্লাকুম তাহতাদূন।
আল বায়ান: যিনি যমীনকে
তোমাদের জন্য শয্যা বানিয়েছেন এবং তাতে তোমাদের জন্য বানিয়েছেন চলার পথ, যাতে তোমরা সঠিক পথ পেতে পার।
আবু বকর মুহাম্মাদ
যাকারিয়া: ১০. যিনি তোমাদের জন্য যমীনকে বানিয়েছেন শয্যা(১) এবং তাতে বানিয়েছেন
তোমাদের চলার পথ(২), যাতে তোমরা সঠিক পথ পেতে পার;
তাইসীরুল ক্বুরআন: যিনি তোমাদের
জন্য যমীনকে করেছেন বিস্তৃত, আর তাতে তোমাদের জন্য বানিয়েছেন
চলার পথ- যাতে তোমরা সঠিক পথ পেতে পার।
আহসানুল বায়ান: (১০) যিনি
তোমাদের জন্য পৃথিবীকে করেছেন শয্যাস্বরূপ[1] এবং ওতে করেছেন তোমাদের চলার পথ,
যাতে তোমরা সঠিক পথ লাভ করতে পার। [2]
মুজিবুর রহমান: যিনি তোমাদের
জন্য পৃথিবীকে করেছেন শয্যা এবং ওতে করেছেন তোমাদের চলার পথ, যাতে তোমরা সঠিক পথ পেতে পার;
ফযলুর রহমান: যিনি জমিনকে
তোমাদের জন্য একটি বিছানা করে দিয়েছেন (যেখানে তোমরা বিশ্রাম করতে পার) এবং সেখানে
তোমাদের জন্য রাস্তাঘাট করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা পথ চলতে
পার।
মুহিউদ্দিন খান: যিনি
তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে করেছেন বিছানা এবং তাতে তোমাদের জন্যে করেছেন পথ,
যাতে তোমরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে পার।
জহুরুল হক: যিনি
তোমাদের জন্য পৃথিবীকে করেছেন এক খাটিয়া, আর এতে তৈরী
করেছেন তোমাদের কারণে পথসমূহ, যাতে তোমরা পথের দিশা পেতে
পার,
Sahih International: [The
one] who has made for you the earth a bed and made for you upon it roads that
you might be guided
[৭] সূরা নূহ (৭১:১৯)
আরবী আয়াত
وَ اللّٰهُ
جَعَلَ لَکُمُ الْاَرْضَ بِسَاطًا ﴿ۙ۱۹﴾
উচ্চারণ: ওয়াল্লা-হু
জা‘আলা লাকুমুল আরদা বিছা-তা- ।
আল বায়ান: ‘আর আল্লাহ
পৃথিবীকে তোমাদের জন্য বিস্তৃত করেছেন,
আবু বকর মুহাম্মাদ
যাকারিয়া: ১৯. আর আল্লাহ তোমাদের জন্য যমীনকে করেছেন বিস্তৃত—
তাইসীরুল ক্বুরআন: আল্লাহ
তোমাদের জন্য যমীনকে করেছেন সম্প্রসারিত,
আহসানুল বায়ান: (১৯) আর
আল্লাহ তোমাদের জন্য ভূমিকে বিস্তৃত করেছেন --[1]
মুজিবুর রহমান: এবং আল্লাহ
তোমাদের জন্য ভূমিকে করেছেন বিস্তৃত –
ফযলুর রহমান: আল্লাহ
তোমাদের জন্য ভূমিকে বিছানা (বিছানার মত সমান ও প্রশস্ত) বানিয়েছেন;
মুহিউদ্দিন খান: আল্লাহ
তা’আলা তোমাদের জন্যে ভূমিকে করেছেন বিছানা।
জহুরুল হক: "আর
আল্লাহ্ তোমাদের জন্য পৃথিবীটাকে করেছেন সুবিস্তৃত,
Sahih International: And Allah has made for you
the earth an expanse
[৮] সূরা আয-যারিয়াত (৫১:৪৮)
আরবী আয়াত
وَ الْاَرْضَ
فَرَشْنٰهَا فَنِعْمَ الْمٰهِدُوْنَ ﴿۴۸﴾
উচ্চারণ: ওয়াল আর দা
ফারাশ-হা-ফানি‘মাল মা-হিদূন।
আল বায়ান: আর আমি
যমীনকে বিছিয়ে দিয়েছি। আমি কতইনা সুন্দর বিছানা প্রস্তুতকারী!
আবু বকর মুহাম্মাদ
যাকারিয়া: ৪৮. আর যমীন, আমরা তাকে বিছিয়ে দিয়েছি, অতঃপর কত সুন্দর ব্যবস্থাপনাকারী(১) (আমরা)!
তাইসীরুল ক্বুরআন: আর যমীন-
তাকে আমিই বিছিয়েছি, আমি কতই না সুন্দর (সমতল) প্রসারণকারী!
আহসানুল বায়ান: (৪৮) এবং আমি
ভূমিকে বিছিয়ে দিয়েছি, [1] আমি কত সুন্দর বিস্তারকারী!
মুজিবুর রহমান: এবং আমি
ভূমিকে বিছিয়ে দিয়েছি; আমি কত সুন্দরভাবে বিছিয়েছি এটা।
ফযলুর রহমান: আর জমিনকে
আমিই বিছিয়ে দিয়েছি। আমি কত সুন্দর বিছাতে পারি!
মুহিউদ্দিন খান: আমি ভূমিকে
বিছিয়েছি। আমি কত সুন্দরভাবেই না বিছাতে সক্ষম।
জহুরুল হক: আর পৃথিবী --
আমরা একে বিছিয়ে দিয়েছি, কাজেই কত সুন্দর এই বিস্তারকারী!
Sahih International: And the earth We have
spread out, and excellent is the preparer.
[৯] সূরা আল-বাকারা (২:২২)
আরবী আয়াত
الَّذِیْ
جَعَلَ لَکُمُ الْاَرْضَ فِرَاشًا وَّ السَّمَآءَ بِنَآءً ۪ وَّ اَنْزَلَ مِنَ
السَّمَآءِ مَآءً فَاَخْرَجَ بِهٖ مِنَ الثَّمَرٰتِ رِزْقًا لَّکُمْ ۚ فَلَا
تَجْعَلُوْا لِلّٰهِ اَنْدَادًا وَّ اَنْتُمْ تَعْلَمُوْنَ ﴿۲۲﴾
উচ্চারণ: আল্লাযী
জা‘আলা লাকুমুল আরদা ফিরা-শাওঁ ওয়াছছামাআ বিনাআওঁ ওয়া আনযালা মিনাছছামাই মাআন
ফাআখরাজা বিহী মিনাছছামারা-তি রিযকাল্লাকুম ফালা-তাজ‘আলূলিল্লা-হি আনদা-দাওঁ ওয়া
আনতুম তা‘লামূন।
আল বায়ান: যিনি তোমাদের
জন্য যমীনকে করেছেন বিছানা, আসমানকে ছাদ এবং আসমান থেকে
নাযিল করেছেন বৃষ্টি। অতঃপর তাঁর মাধ্যমে উৎপন্ন করেছেন ফল-ফলাদি, তোমাদের জন্য রিয্কস্বরূপ। সুতরাং তোমরা জেনে-বুঝে আল্লাহর জন্য সমকক্ষ
নির্ধারণ করো না।
আবু বকর মুহাম্মাদ
যাকারিয়া: ২২. যিনি যমীনকে তোমাদের জন্য বিছানা ও আসমানকে করেছেন ছাদ এবং আকাশ হতে
পানি অবতীর্ণ করে তা দ্বারা তোমাদের জীবিকার জন্য ফলমূল উৎপাদন করেছেন। কাজেই
তোমরা জেনেশুনে কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ(১) দাঁড় করিও না।
তাইসীরুল ক্বুরআন: যিনি তোমাদের
জন্য পৃথিবীকে বিছানা ও আকাশকে ছাদ করেছেন এবং আকাশ হতে পানি বর্ষণ ক’রে তদ্বারা
তোমাদের জীবিকার জন্য ফলমূল উৎপাদন করেন, কাজেই জেনে বুঝে
কাউকেও আল্লাহর সমকক্ষ দাঁড় করো না।
আহসানুল বায়ান: ২২। যিনি
পৃথিবীকে তোমাদের জন্য বিছানা ও আকাশকে ছাদ সরূপ সৃষ্টি করেছেন এবং আকাশ হতে পানি
বর্ষণ ক’রে তার দ্বারা তোমাদের জীবিকার জন্য ফল-মূল উৎপাদন করেছেন। সুতরাং জেনে
শুনে কাউকেও আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করো না।
মুজিবুর রহমান: যিনি তোমাদের
জন্য ভূতলকে শয্যা ও আকাশকে ছাদ স্বরূপ সৃষ্টি করেছেন এবং আকাশ হতে বারি বর্ষণ
করেন, অতঃপর তদ্বারা তোমাদের জন্য উপজীবিকা স্বরূপ ফলপুঞ্জ
উৎপাদন করেন, অতএব তোমরা আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করনা এবং
তোমরা এটা অবগত আছ।
ফযলুর রহমান: যিনি তোমাদের
জন্য পৃথিবীকে বিছানা এবং আকাশকে শামিয়ানা বানিয়ে দিয়েছেন; আর
আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে তার সাহায্যে তোমাদের জীবিকার জন্য ফলমূল উৎপন্ন করেছেন।
তোমরা তাই সবকিছু জেনে আল্লাহর জন্য অংশীদার সাব্যস্ত করো না।
মুহিউদ্দিন খান: যে
পবিত্রসত্তা তোমাদের জন্য ভূমিকে বিছানা এবং আকাশকে ছাদ স্বরূপ স্থাপন করে
দিয়েছেন, আর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে তোমাদের জন্য ফল-ফসল
উৎপাদন করেছেন তোমাদের খাদ্য হিসাবে। অতএব, আল্লাহর সাথে
তোমরা অন্য কাকেও সমকক্ষ করো না। বস্তুতঃ এসব তোমরা জান।
জহুরুল হক: যিনি
তোমাদের জন্য পৃথিবীকে ফরাশ বানিয়েছেন, আর আকাশকে চাঁদোয়া,
আর তিনি আকাশ থেকে পাঠান বৃষ্টি, তা’ দিয়ে
তারপর ফলফসল উৎপাদন করেন তোমাদের জন্য রিযেক হিসেবে। অতএব আল্লাহ্র সাথে
প্রতিদ্বন্ধী খাড়া করো না, অধিকন্তু তোমরা জানো।
Sahih International: [He]
who made for you the earth a bed [spread out] and the sky a ceiling and sent
down from the sky, rain and brought forth thereby fruits as provision for you.
So do not attribute to Allah equals while you know [that there is nothing
similar to Him].
[১০] সূরা আল-হিজর (১৫:১৯)
আরবী আয়াত
وَ الْاَرْضَ
مَدَدْنٰهَا وَ اَلْقَیْنَا فِیْهَا رَوَاسِیَ وَ اَنْۢبَتْنَا فِیْهَا مِنْ کُلِّ
شَیْءٍ مَّوْزُوْنٍ ﴿۱۹﴾
উচ্চারণ: ওয়াল আরদা
মাদাদনা-হা-ওয়া আলকাইনা-ফীহা-রাওয়া-ছিয়া ওয়া আমবাতনা-ফীহামিন কুল্লি শাইয়িম
মাওযূন।
আল বায়ান: আর যমীনকে
আমি বিস্তৃত করেছি এবং তাতে সুদৃঢ় পাহাড় স্থাপন করেছি। আর তাতে উৎপন্ন করেছি সকল
প্রকার বস্তু সুনির্দিষ্ট পরিমাণে ।
আবু বকর মুহাম্মাদ
যাকারিয়া: ১৯. আর যমীন, এটাকে আমরা বিস্তৃত করেছি, তাতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি; এবং আমরা তাতে
প্রত্যেক বস্তু উদগত করেছি সুপরিমিতভাবে,(১)
তাইসীরুল ক্বুরআন: আর পৃথিবী,
আমি সেটাকে বিছিয়ে দিয়েছি আর তাতে পর্বতরাজি সংস্থাপিত করেছি আর
তাতে সকল বস্তু উদগত করেছি যথাযথ পরিমাণে।
আহসানুল বায়ান: (১৯)
পৃথিবীকে আমি বিস্তৃত করেছি এবং ওতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি; আমি ওতে প্রত্যেক বস্তু উদ্গত করেছি সুপরিমিতভাবে। [1]
মুজিবুর রহমান: পৃথিবীকে আমি
বিস্তৃত করেছি এবং ওতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি; আমি ওতে
প্রত্যেক বস্তু উৎপন্ন করেছি সুপরিমিতভাবে।
ফযলুর রহমান: আর জমিনকে
আমি সুবিস্তৃত করেছি, সেখানে পর্বতমালা স্থাপন করেছি এবং
তাতে প্রতিটি পরিমিত বস্তু উৎপন্ন করেছি।
মুহিউদ্দিন খান: আমি
ভু-পৃষ্ঠকে বিস্তৃত করেছি এবং তার উপর পর্বতমালা স্থাপন করেছি এবং তাতে প্রত্যেক
বস্তু সুপরিমিতভাবে উৎপন্ন করেছি।
জহুরুল হক: আর পৃথিবী --
আমরা তাকে প্রসারিত করেছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পর্বতমালা,
আর তাতে উৎপন্ন করেছি হরেক রকমের জিনিস সুপরিমিতভাবে।
Sahih International: And the earth - We have
spread it and cast therein firmly set mountains and caused to grow therein
[something] of every well-balanced thing.
[১১] সূরা কাফ (৫০:৭)
আরবী আয়াত
وَ الْاَرْضَ
مَدَدْنٰهَا وَ اَلْقَیْنَا فِیْهَا رَوَاسِیَ وَ اَنْۢبَتْنَا فِیْهَا مِنْ کُلِّ
زَوْجٍۭ بَهِیْجٍ ۙ﴿۷﴾
উচ্চারণ: ওয়াল আরদা মাদাদনা-হা-ওয়া
আলকাইনা-ফীহা-রাওয়া-ছিয়া ওয়া আমবাতনা-ফীহামিন কুল্লি যাওজিম বাহীজ।
আল বায়ান: আর আমি
যমীনকে বিস্তৃত করেছি, তাতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি এবং তাতে
প্রত্যেক প্রকারের সুদৃশ্য উদ্ভিদ উদগত করেছি।
আবু বকর মুহাম্মাদ
যাকারিয়া: ৭. আর আমরা বিস্তৃত করেছি যমীনকে এবং তাতে স্থাপন করেছি পর্বতমালা। আর
তাতে উদগত করেছি নয়ন প্রীতিকর সর্বপ্রকার উদ্ভিদ।
তাইসীরুল ক্বুরআন: আর পৃথিবী-
তাকে করেছি বিস্তৃত আর তাতে সংস্থাপিত করেছি পর্বতরাজি আর তাতে উদ্গত করেছি যাবতীয়
সুদৃশ্য উদ্ভিদরাজি।
আহসানুল বায়ান: (৭) আমি
পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছি এবং তাতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি এবং ওতে উদগত করেছি
চোখ-জুড়ানো নানা প্রকার উদ্ভিদ। [1]
মুজিবুর রহমান: আমি বিস্তৃত
করেছি ভূমিকে ও তাতে স্থাপন করেছি পর্বতমালা এবং ওতে উদ্গত করেছি নয়ন প্রীতিকর
সর্বপ্রকার উদ্ভিদ –
ফযলুর রহমান: জমিনকে আমি
বিস্তৃত করেছি এবং তাতে সুদৃঢ় পাহাড়-পর্বত স্থাপন করেছি ও সবরকম মনোরম গাছপালা
উৎপন্ন করেছি,
মুহিউদ্দিন খান: আমি ভূমিকে
বিস্তৃত করেছি, তাতে পর্বতমালার ভার স্থাপন করেছি এবং তাতে
সর্বপ্রকার নয়নাভিরাম উদ্ভিদ উদগত করেছি।
জহুরুল হক: আর পৃথিবী --
তাকে আমরা প্রসারিত করেছি আর তাতে স্থাপন করেছি পাহাড়-পর্বত, আর তাতে আমরা জন্মিয়েছি হরেক রকমের মনোরম বস্তু --
Sahih International: And the earth - We spread
it out and cast therein firmly set mountains and made grow therein [something]
of every beautiful kind,